ঢাকার সাভারে ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি থেকে নেওয়া ঋণের ৩০ হাজার টাকা ফেরত চাওয়ায় আহসান উল্লাহ স্বপন (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম ও তার পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) এ ঘটনায় স্বপনের পরিবারের পক্ষ থেকে সাভার থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
স্বপন সাভার পৌর এলাকার বক্তারপুর মহল্লার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় বংশী ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি লিমিটেডের সহসভাপতি।
জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে বক্তারপুর এলাকার বাসিন্দা মো. ফারুক হোসেন বংশী ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি লিমিটেড থেকে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নেন। চুক্তি অনুযায়ী, ১২০ দিনের মধ্যে ওই ঋণ পরিশোধ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি টাকা পরিশোধ করেননি। ঋণের টাকা ফেরত চাইলে ফারুক ‘আজ দেব, কাল দেব’ বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দিলে স্বপনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
স্বপনের পরিবারের লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার (৩০ আগস্ট) রাত ১টার দিকে এলাকায় লোডশেডিং চলাকালে স্বপন বাড়ির গেটের সামনে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় ফারুকসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সেখানে গিয়ে তার ওপর হামলা চালান। রফিক নামে একজন পেছন থেকে সুইচ গিয়ার দিয়ে স্বপনের ঘাড়ে আঘাত করেন। পরে নজরুল ও কুট্টি মোল্লা নামে দুই ব্যক্তি রামদা দিয়ে তার মাথা, বাম গাল ও বাম হাতে আঘাত করেন।
স্বপনের ছেলে মেহেদী হাসান শ্রাবণ জানান, হামলার একপর্যায়ে তার বাবা মাটিতে পড়ে গেলে ফারুক ও তার ছেলে ফয়সাল ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দেন। চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান।
তিনি আরও জানান, হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর রক্তাক্ত অবস্থায় তার বাবাকে উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
সাভার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল ওয়াহাব বলেন, খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। তখন অস্ত্রোপচারকক্ষে তার অস্ত্রোপচার চলছিল। তাই বিস্তারিত জানতে পারিনি। তবে প্রাথমিকভাবে পরিবারের সদস্য ও চিকিৎসকদের কাছ থেকে জেনেছি, স্বপনের পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্রঋণ সমিতি থেকে নেওয়া ৩০ হাজার টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে আহসান উল্লাহ স্বপনের ওপর হামলা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) এ ঘটনায় স্বপনের পরিবারের পক্ষ থেকে সাভার থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
স্বপন সাভার পৌর এলাকার বক্তারপুর মহল্লার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় বংশী ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি লিমিটেডের সহসভাপতি।
জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে বক্তারপুর এলাকার বাসিন্দা মো. ফারুক হোসেন বংশী ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি লিমিটেড থেকে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নেন। চুক্তি অনুযায়ী, ১২০ দিনের মধ্যে ওই ঋণ পরিশোধ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি টাকা পরিশোধ করেননি। ঋণের টাকা ফেরত চাইলে ফারুক ‘আজ দেব, কাল দেব’ বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দিলে স্বপনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
স্বপনের পরিবারের লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার (৩০ আগস্ট) রাত ১টার দিকে এলাকায় লোডশেডিং চলাকালে স্বপন বাড়ির গেটের সামনে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় ফারুকসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সেখানে গিয়ে তার ওপর হামলা চালান। রফিক নামে একজন পেছন থেকে সুইচ গিয়ার দিয়ে স্বপনের ঘাড়ে আঘাত করেন। পরে নজরুল ও কুট্টি মোল্লা নামে দুই ব্যক্তি রামদা দিয়ে তার মাথা, বাম গাল ও বাম হাতে আঘাত করেন।
স্বপনের ছেলে মেহেদী হাসান শ্রাবণ জানান, হামলার একপর্যায়ে তার বাবা মাটিতে পড়ে গেলে ফারুক ও তার ছেলে ফয়সাল ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দেন। চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান।
তিনি আরও জানান, হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর রক্তাক্ত অবস্থায় তার বাবাকে উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
সাভার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল ওয়াহাব বলেন, খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। তখন অস্ত্রোপচারকক্ষে তার অস্ত্রোপচার চলছিল। তাই বিস্তারিত জানতে পারিনি। তবে প্রাথমিকভাবে পরিবারের সদস্য ও চিকিৎসকদের কাছ থেকে জেনেছি, স্বপনের পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্রঋণ সমিতি থেকে নেওয়া ৩০ হাজার টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে আহসান উল্লাহ স্বপনের ওপর হামলা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
অনলাইন ডেস্ক